ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে সর্বত্রই ব্যাপকভাবে আলোচনা হচ্ছে। যদিও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে তা স্পষ্ট নয়। এরই মধ্যে কোন পদ্ধতিতে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে পক্ষে-বিপক্ষে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় একটি অংশ আগামী নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তনের পক্ষে মতামত তুলে ধরেছেন। তাদের দাবি, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন হোক। তবে বিএনপিসহ অন্য দলগুলো বর্তমান পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটিও বর্তমান পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষে থাকলেও ৫০ বা ১০০ আসনে পরীক্ষামূলক পিআর পদ্ধতি চালুর পক্ষে মতামত দিয়েছেন।
জরিপে দেখা গেছে ‘শ্রীলঙ্কা ও নেপালে’ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়: বাংলাদেশে বর্তমানে নির্বাচন পদ্ধতিতে ৩০০ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থাকেন। জনগণের সরাসরি ভোটে তারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিদ্যমান এই পদ্ধতির পরিবর্তন করে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় কিছু দল; যেখানে দলীয় কোনো প্রার্থী থাকবে না, শুধু দলের মার্কা থাকবে। ভোটাররা তাদের পছন্দের মার্কায় ভোট দেবেন। সারা দেশে একটা দল যত ভোট পাবে, তার সমানুপাতিক হারেই নির্ধারিত হবে ওই দলের সংসদ সদস্য। অর্থাৎ একটি দল শতকরা ৫০ শতাংশ ভোট পায় তাহলে সংসদে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫০টি আসন তাদের হবে। যদি কোনো দল এক শতাংশ ভোট পায় তাহলে সেই দলও ৩টি আসন পাবে। ফলে এক ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হলেও তার আসন আর থাকছে না। এতে বিগত নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলোর আসন কমবে, ভোটের হার অনুযায়ী তাদের আসনগুলো অন্য দলগুলোর দখলে যাবে। এতে দেশের বেশির ভাগ দলেরই প্রতিনিধি সংসদের যাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, বিশ্বের ১৭০টি দেশের মধ্যে ৯১টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কা ও নেপালে চালু রয়েছে। তবে সব আসনে নয়। বিগত চারটি নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি ৩০.৮১ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগ ৩০.০৮ শতাংশ, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ৩৭.৪৪ শতাংশ এবং বিএনপি ৩৩.৬১ শতাংশ, ২০০১ সালে বিএনপি ৪০.৮৬ শতাংশ ও আওয়ামী লীগ ৪০.২১ শতাংশ এবং ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ৪৯ শতাংশ এবং বিএনপি ৩৩.২০ শতাংশ ভোট পায়। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ২৩০ আসন ও বিএনপি ৩০ আসন পায়। কিন্তু আনুপাতিক হারে হলে ২৩০ আসন থেকে কমে আওয়ামী লীগের আসন দাঁড়াত ১৪৭-এ। অপরদিকে বিএনপির বেড়ে দাঁড়াত ৯৯টি আসন। ফলে আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচনে হলে একদিকে জয়ী দলগুলোর আসন কমবে, অন্যদিকে সংসদের বিরোধীদলসহ ছোট দলগুলোর আসন বাড়বে।
পিআর পদ্ধতি নিয়ে যা বলছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা: জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়াও সিপিবির নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক জোট, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, গণ অধিকার পরিষদসহ বেশির ভাগ দলই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষে। জাতীয় পার্টি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চেয়েছিল। গণতন্ত্র মঞ্চ শুরুতে পিআর পদ্ধতি চাইলেও পরে তারা ওই অবস্থান থেকে সরে আসে। তবে বিএনপি শুরু থেকেই পিআর পদ্ধতির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দলটি মনে করে, এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আবার উত্থান হতে পারে। আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে, যা তাদের সুবিধাজনক অবস্থায় নিয়ে আসতে পারে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার জন্যই এই পদ্ধতি চালুর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলেও তারা মনে করেন। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে তা ঠিক করার দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের। দ্রুত মৌলিক সংস্কার শেষ করে নির্বাচনকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কারণ জনগণ দীর্ঘদিন ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে তার রোডম্যাপ প্রকাশের পর আমরা করণীয় ঠিক করব। একই সুরে কথা বলেছেন স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে পিআর নির্বাচন ব্যবস্থা চালুর মতো পরিস্থিতি নেই। এখানে তো একটা হাইব্রিড সিস্টেমে চলা যাবে না। একটা নির্দিষ্ট সিস্টেম ফলো করতে হবে। তিনি বলেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি চালু করতে হলে পুরো রাজনীতির সংস্কৃতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো সবখানেই পরিবর্তন আনতে হবে। স্থানীয় সরকারের পুরো কাঠামো বদলে ফেলতে হবে। তা ছাড়া পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনে ঝুলন্ত সংসদ হয়ে যেতে পারে। যদিও বিএনপির বেশির ভাগ নেতা মনে করেন, এই মুহূর্তে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা সরকার গঠন করতে পারবে। কিন্তু পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে বিএনপির জন্য এককভাবে জয়ী হওয়ার পথ কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু হলে স্বৈরাচারের উত্থান হবে না: নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও। এ বিষয়ে কথা হয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতি দেশের বিএনপি ও আওয়ামী লীগ মানবে না। তবে এ পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ছোট দলগুলো কিছুটা লাভবান হবে। তাদের হয়তো আসন বাড়বে। তিনি বলেন, নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু হলে স্বৈরাচারের উত্থান হবে না, এটা ঠিক না। কারণ শ্রীলঙ্কায় পিআর পদ্ধতির ভেতরেই রাজাপাকসে স্বৈরাচার হয়ে উঠেছিলেন। কোনো দল ২০ শতাংশ ভোট পেলে পার্টির নমিনেশন ক্ষমতা দলপ্রধানের কাছে থাকবে। সেখানেও নমিনেশন বাণিজ্য হবে। এ বিষয়ে কথা বলেছেন নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার ও সাবেক সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালও। সম্প্রতি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের কথা বলেছেন। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এটির সীমাবদ্ধতা এখন সর্বজনবিদিত। প্রথমত সামান্য ভোটের ব্যবধানেই যে কেউ বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যায়। এতে ভোটের সামান্যতম পার্থক্য সত্ত্বেও আসনের ক্ষেত্রে বিরাট পার্থক্য হতে পারে। তবে পিআর পদ্ধতির পক্ষে থাকা দলগুলোর একাধিক নেতা সঙ্গে আলাপকালে বলেন, পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসতে পারে, ছোট দলগুলোর আসন পাওয়ার সুযোগ করে দেবে-এমন যুক্তি দেখিয়ে বিরোধিতার সুযোগ নেই। এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে যোগ্য ও দক্ষ পার্লামেন্ট গঠন করা সম্ভব। নির্বাচনে টাকার খেলা, অনিয়ম ও পেশিশক্তির ব্যবহার কমে আসবে। তাদের দাবি, গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে। দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে অন্তত দুই টার্ম নির্বাচনে অযোগ্য বা নিষিদ্ধ করতে হবে। তবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পিআর পদ্ধতিতে অংশগ্রহণমূলক ও নিরপক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব। দক্ষ ও যোগ্য পার্লামেন্ট গঠন করা যাবে। এই পদ্ধতিতে ব্যক্তি বিষয় নয়, ভোটাররা দলের মার্কায় ভোট দেবেন। সত্যিকার অর্থে এখানে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। এখানে সুনির্দিষ্ট দলের কোনো বেনিফিট পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। যে দল যত শতাংশ ভোট পাবে, সেই দল তাদের যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকেই সংসদে পাঠাবে। আর ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, বিদ্যমান পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে কি আওয়ামী লীগ ভোট পাবে না? শুধু পিআর পদ্ধতিতে হলে তাদের উত্থান হবে? গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে আগামী এক বা দুই টার্ম নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এতে দেশে মারামারি ও হানাহানির ঘটনা ক্রমেই কমে আসবে। দেশ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সহজ হবে। বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, আনুপাতিক হারে আসন বিন্যাস হলে এককভাবে কোনো দল সরকার গঠন করতে পারবে না। অন্য দলের ওপর নির্ভর করতে হবে। এতে কোনো দল নিজস্ব মতামত জনগণের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবে না। একটা ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ তৈরি হবে। নির্বাচনের দলগুলো তাদের ৩০০ আসনের এমপি প্রার্থী ঘোষণা করতে বা নামের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে পারে। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনে ৩২ শতাংশ ভোট পেয়ে পরাজিত হচ্ছে যে দল, তাদের কিন্তু সরকারে কোনো ভূমিকা থাকে না। কার্যত পাঁচ বছরে যে সরকার শাসন করে, সেখানে বিরোধীদের মতামতের কোনো মূল্য নেই। আমরা এটার পরিবর্তন চাই। কেউ যেন এককভাবে কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে না ওঠে। জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, পিআর পদ্ধতিতে আগামী এক বা দুটি নির্বাচন করা সম্ভব নয়, সংবিধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ৫০ বা ১০০ আসনে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে পারে। এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, দেশে ভোটের প্রচলিত পদ্ধতিতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয় না। ফলে নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন করা প্রয়োজন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য পিআর পদ্ধতি চালুর প্রয়োজন। কারও সুবিধা বা অসুবিধা বিবেচনা করে আমরা প্রস্তাব দিইনি। আমরা চাই দেশে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছোট দলগুলো: গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর দেশ পরিচালনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের আমলে সবচেয়ে আলোচিত ও সংস্কারের বিষয় হচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন কোনো পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে পিআর পদ্ধতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে বিএনপির সমমনা দলগুলো মনে করে, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে শতাংশ হিসেবে ভোট না পেলে এসব দলের হারিয়ে যাওয়ারও শঙ্কা রয়েছে। তাই গণতন্ত্র মঞ্চ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস পিআর পদ্ধতির বিপক্ষে। কথা হয় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্না এর সঙ্গে। তিনি বলেন, বিচার-বিশ্লেষণ করে গণতন্ত্র মঞ্চ এই দাবি থেকে সরে এসেছেন। জামায়াত মনে করে তারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মতো ভোট পাবে। আসনও বেশি পাবে সেই জন্য হয়তো তারা দাবি জানিয়েছে। তবে এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেন, পৃথিবীর কিছু দেশে থাকলেও বাংলাদেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চালু করার উপযুক্ত সময় আসেনি। একই সুরে কথা বলেছেন ১২-দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনের নতুন পদ্ধতি চালুর সময় আসেনি। উপমহাদেশে কোথাও এই পদ্ধতি নেই। যারা এই পদ্ধতি চালুর কথা বলছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। ডেনর্মাক ও সুইডেনের সঙ্গে তুলনা যারা করছে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। পিআর পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেছেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল জলিল। তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতি নিয়ে এখনো বিশ্লেষণ করছি। পজিটিভ ও নেগেটিভ- দুই দিকই রয়েছে। এতে অটোমেটিকভাবে আওয়ামী লীগ সংসদে চলে আসবে। তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান পদ্ধতির আলোকেই পিআর পদ্ধতি চালু করার দাবি জানিয়েছি। যেসব দলের প্রার্থী বিজয়ী হতে পারবে না তাদের ভোট পাওয়ার হার অনুসারে সংরক্ষিত এমপির মতো আসন দিতে হবে। এখনই পিআর পদ্ধতি চালু করলে আবার আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

পিআর পদ্ধতির নির্বাচন নিয়ে রাজনীতিকদের নানা মত
- আপলোড সময় : ১৫-১১-২০২৪ ০৬:৪৩:১৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-১১-২০২৪ ০৬:৪৩:১৫ অপরাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ